১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন

ধর্ম ডেস্ক

অগাস্ট ২৮, ২০২১
১২:১৩ অপরাহ্ন


দোয়া কবুলের বিশেষ দিন


দিনের রাজা শুক্রবার। এ দিন ইবাদতের জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ। রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘সূর্য উদিত হওয়ার দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এ দিন আদম (আ.)কে সৃষ্টি করা হয়েছে, এ দিন তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এই দিন তাকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। (মুসলিম, হাদিস : ১৮৬১)। আবু হোরায়রা (রা.) বলেন, রাসূল (সা.) আমাদের সঙ্গে একদিন শুক্রবারের ফজিলত ও বৈশিষ্ট্য নিয়ে আলোচনা করছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন-‘জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, সে সময়টায় যদি কোনো মুসলিম নামাজ আদায়রত অবস্থায় থাকে এবং আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ অবশ্যই তার সে চাহিদা বা দোয়া কবুল করবেন এবং এরপর রাসূল (সা.) তার হাত দিয়ে ইশারা করে সময়টির সংক্ষিপ্ততার ইঙ্গিত দেন।’ (বুখারি)। আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত রাসূল (সা.) বলেছেন-ইমামের মিম্বরে বসার সময় থেকে নামাজ শেষ করা পর্যন্ত সময়টিই সেই বিশেষ মুহূর্ত (মুসলিম, ইবনে খুজাইমা, বায়হাকি)। রাসূল (সা.) থেকে জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন, জুমার দিনে ১২ ঘণ্টা রয়েছে। তাতে এমন একটা সময় রয়েছে, সে সময় আল্লাহর বান্দা আল্লাহর কাছে যা চায় আল্লাহ তাই দেন। অতএব, তোমরা আসরের শেষ সময়ে তা তালাশ করো। (আবু দাউদ, হাদিস নং : ১০৪৮, নাসাঈ, হাদিস নং : ১৩৮৯)। আব্দুল্লাহ ইবনে সালাম (রা.) বর্ণনা করেন, শুক্রবারে আসরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দোয়া কবুল হয়। বিখ্যাত সিরাতগ্রন্থ যাদুল মাআ’দ-এ বর্ণিত আছে, জুমার দিন আসরের নামাজ আদায়ের পর দোয়া কবুল হয়। (২/৩৯৪)। ইমাম আহমদ (রহ.)ও একই কথা বলেছেন। (তিরমিজির ২য় খণ্ডের ৩৬০নং পৃষ্ঠায় কথাটি উল্লেখ আছে)। মোটকথা, জুমার দিনে বান্দার দোয়া কবুলের একটি বিশেষ মুহূর্ত রয়েছে, যখন আল্লাহ বান্দার দোয়া কবুল করে থাকেন। এ সময় সম্পর্কে আরও কিছু অভিমত তুলে ধরা হলো-জুমার নামাজে সূরা ফাতিহার পর আমিন বলার সময়। আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়ে। মুয়াজ্জিন আজান দেওয়ার সময়। জুমার দিন সূর্য ঢলে পড়ার সময়। ইমাম খুতবা দেওয়ার জন্য মিম্বরে দাঁড়ানোর সময়। উভয় খুতবার মধ্যবর্তী সময়। জুমার দিন ফজরের আজানের সময়।