২১ অক্টোবর ২০২১ ১১:৫৮ অপরাহ্ন

২১ অক্টোবর ২০২১ ১১:৫৮ অপরাহ্ন

ধর্ম ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
১০:৫৯ পূর্বাহ্ন


ad
যে নামাজে সব গুনাহ মাফ হয়ে যায়
ad

মুমিন চেষ্টা করে গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে। কিন্তু কখনো শয়তানের ধোঁকায় পড়ে গুনাহ হয়ে যায়। তখন মুমিনের আফসোস ও আক্ষেপের শেষ থাকে না; কেন গুনাহে জড়ালাম, কেন গুনাহের পথে পা বাড়ালাম, কীভাবে পরিত্রাণ পাব এ গুনাহ থেকে। কৃত গুনাহ তাকে কষ্টে নিপতিত করে। আর এটিই মুমিনের পরিচয়। এটিই তার ঈমানের প্রমাণ। আবু উমামা (রা.) বলেন, এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করল, ঈমান কী আল্লাহর রাসুল! (আমি কীভাবে বুঝব আমার মাঝে ঈমান আছে?) তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন- যখন তোমার নেক আমল তোমাকে আনন্দিত করবে এবং তোমার গুনাহ তোমাকে কষ্টে নিপতিত করবে (গুনাহের কারণে তুমি কষ্ট পেতে থাকবে)- তাহলে (বুঝবে) তুমি মুমিন। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস ২২১৬৬; মুসতাদরাকে হাকেম, হাদিস ৩৩) হাঁ, মুমিনের এ কষ্ট হল গুনাহ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য ব্যাকুলতার কষ্ট। এ কষ্ট থেকেই মুমিন আল্লাহর দুয়ারে ক্ষমার ভিখারী হয়ে ধরনা দেয়। উত্তমরূপে ওজু করে এবং নামাজে দাঁড়িয়ে যায়। ইসতিগফারের অশ্রুতে সিক্ত হয়। আর তখনই রাহমানুর রাহীমের ক্ষমার দরিয়ায় মৌজ ওঠে। বান্দার সব গুনাহ ধুয়ে সাফ করে দেয়। সিদ্দীকে আকবর আবু বকর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- মুসলিম যখন কোনো গুনাহ করে ফেলে অতঃপর ওজু করে দুই রাকাত নামাজ আদায় করে এবং উক্ত পাপের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় তখন আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। এরপর নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দুটি আয়াত তিলাওয়াত করেন, যে ব্যক্তি কোনো মন্দ কাজ করে ফেলে বা নিজের প্রতি জুলুম করে বসে, তারপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়, সে অবশ্যই আল্লাহকে অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালুই পাবে। (সুরা নিসা: ১১০) এবং তারা সেই সকল লোক, যারা কখনও কোনো অশ্লীল কাজ করে ফেললে বা (অন্য কোনোভাবে) নিজেদের প্রতি জুলুম করলে সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং তার ফলশ্রুতিতে নিজেদের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে...। (সুরা আলে ইমরান: ১৩৫) তথ্যসূত্র- মুসনাদে আহমাদ, হাদিস ৪৭; সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদিস ৬২৩; মুসনাদে আবু ইয়ালা, হাদিস ১৩ ad


ad